মৌলভীবাজারকে পর্যটন জেলা ঘোষণা করা হলেও আজও এর গেজেট হয়নি

| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
পোস্টটি পড়া হয়েছে : ০ বার
পর্যটনের  মৌলভীবাজার ছবি:
পর্যটনের মৌলভীবাজার ছবি:

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :

পর্যটনের অপার সম্ভাবনাময় জেলা মৌলভীবাজার। ২০০৮ সালে মৌলভীবাজারকে পর্যটন জেলা ঘোষণা করা হলেও আজও এর গেজেট হয়নি।

২০০৯ সালে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ‘মৌলভীবাজার জেলাকে পর্যটন জেলা হিসেবে উন্নীতকরণ’ নামে একটি প্রকল্প প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলেও পরে আর তা বাস্তবায়িত হয়নি।

মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তানভীর হোসেন বলেন, ‘আমরা নতুন করে উন্নয়ন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। বাজেট এলে কাজ শুরু করব। এ ছাড়া আমরা যেটুকু সম্ভব, জেলা ও উপজেলার সব পর্যটন স্পটের মান বাড়াতে কাজ করছি।’

এ জেলার একদিকে ধু-ধু প্রান্তরজুড়ে নয়নাভিরাম চা-বাগান, আঁকাবাঁকা পাহাড়-টিলায় সবুজ বৃক্ষরাজি, ওপরে নীল আকাশ। পাহাড়ের চূড়া থেকে নেমে আসা ঝরনাধারা, নদ-নদী, খাল-বিল। অপরদিকে দিগন্তবিস্তৃত হাইল হাওরের নীল জলরাশি। রয়েছে চা-বাগানের ছোট-বড় হ্রদ, খনিজ গ্যাসকূপ, লেবু, আনারস, পান ও আগর বাগান। জেলার নয়টি উপজেলায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় জীবনধারা। তাদের রয়েছে আলাদা সংস্কৃতি ও উৎসব।

জেলার সবচেয়ে বেশি পর্যটন স্পট শ্রীমঙ্গল উপজেলায়। প্রকৃতির নয়নাভিরাম সৌন্দর্য দেখতে দেশ-বিদেশের পর্যটকেরা এখানে ছুটে আসেন। থাকেন রিসোর্ট, কটেজ ও হোটেলে। পর্যটকদের জন্য ব্যক্তি উদ্যোগে পাঁচ তারকা মানেরসহ প্রায় শতাধিক রিসোর্ট, কটেজ ও হোটেল গড়ে উঠেছে। সৃষ্টি হয়েছে কর্মসংস্থানেরও। বাঁধানগর গ্রাম হয়ে উঠেছে পর্যটন গ্রাম।

জানা যায়, ২০১৭ সালে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যটনশিল্পের বিকাশ, সমস্যা ও সম্ভাবনাগুলো চিহ্নিত করে একটি কর্মকৌশল প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু দীর্ঘ নয় বছরেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। কাগজে-কলমেই রয়ে গেছে পরিকল্পনাটি।

বিষয়:

এলাকার খবর

সম্পর্কিত